বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০২:০৬ অপরাহ্ন

বিএনপির উপজেলা চেয়ারম্যানরা কী করবেন?
Reporter Name / ১০৭ Time View
Update : সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

গত মাসে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে বিএনপি নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমে জানায়। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবে কি না, সেটা হলে বহিষ্কার করা হবে কি না—এসব বিষয়ে তৃণমূল পর্যায়ে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা যায়নি। দলের সিদ্ধান্তের সঙ্গে অনেকে একমত হলেও জাতীয় নির্বাচনের পরপরই উপজেলা নির্বাচনসহ সাংগঠনিক ব্যাপারে দল থেকে সরাসরি নির্দেশনা আশা করেছিল তৃণমূল বিএনপি।

 

৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনকে ‘ডাকাতি’ ও ‘প্রহসনের’ নির্বাচন বলে আসছে বিএনপি। আর এই নির্বাচনের ‘অভিজ্ঞতা’ থেকে এ সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচনে তারা অংশ নেবে না। গত ২৪ জানুয়ারি দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের জানান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও উপজেলা নির্বাচনে তাঁরা অংশ নেবেন না।

 

২০১৪ সালে সর্বশেষ উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে বিএনপি ১৯-দলীয় জোট নিয়ে নির্বাচন করে। যদিও সেবারের ভোট সরাসরি দলীয় প্রতীকে হয়নি। বিএনপির কয়েকটি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালে বিএনপি-জামায়াত জোটের ১৭৬ জন নেতা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ভাইস চেয়ারম্যানের দুটি পদে এই জোটের প্রায় ৩০০ জন নির্বাচিত হয়েছেন। প্রথম দুই ধাপেই বিএনপি-জামায়াতের ১১৯ জন নির্বাচিত হন। প্রথম দুই ধাপে বিএনপি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের চেয়ে এগিয়ে ছিল। কিন্তু পরবর্তী তিন ধাপে আওয়ামী লীগ এগিয়ে যায়। অবশ্য বিএনপি বলছে, শেষ তিন ধাপে ক্ষমতাসীনেরা কারচুপি করে জিতেছে।

 

বিএনপির বর্তমান নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের চিন্তা সবচেয়ে বেশি। তাঁদের অনেকেই ভোট করতে চান। কিন্তু দল থেকে তাঁদের কাছে কোনো নির্দেশনা আসছে না।

 

এ বছরের মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে পাঁচটি ধাপে উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপে ভোট হবে ১১ মার্চ। এবারের নির্বাচনে বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাম জোটও অংশ নিচ্ছে না। ২০১৪ সালে সর্বশেষ উপজেলা নির্বাচন হয়। ছয়টি ধাপের সে নির্বাচনে শুরুর দিকগুলোর নির্বাচনে বিএনপির অনেক প্রার্থী জয়লাভ করেন। সেই চেয়ারম্যানদের অনেকে এবং বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতারা বলছেন, উপজেলার ব্যাপারে তারা গণমাধ্যম থেকেই জেনেছেন। দল থেকে সরাসরি কোনো নির্দেশনা পাননি।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
মণিরামপুরে “আশার চাকা”র উদ্যোগে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ আবু জাহেদ ইমন মনিরামপুর (যশোর) থেকে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার জোঁকা কমলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে “আশার চাকা” সংস্থার উদ্যোগে অসহায় ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে বিনামূল্যে হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়েছে। ১১ এপ্রিল সকাল ১০টায় এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মনিরামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝাঁপা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আমিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান সমন্বয়ক সোহেল হোসেন। সহকারী সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মেহেদী হাসান। অর্থ ও হিসাব দায়িত্বে ছিলেন রাকিবুল হাসান শিমুল এবং ভেন্যু ও লজিস্টিকস দায়িত্বে ছিলেন জুবায়ের আহমেদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন হুইলচেয়ার বিতরণ সমন্বয়ক সাব্বির আহমেদ রিয়াদ। এছাড়া সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাসুদ রানা ও মহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে “আশার চাকা” সংস্থার পক্ষ থেকে ১১ জন অসহায় প্রতিবন্ধীর মাঝে বিনামূল্যে হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়। উপকারভোগীদের মধ্যে ছিলেন ষোলখাদা গ্রামের দাসপাড়ার স্মৃতি দাশ ও অসিম দাশ, হানুয়ার গ্রামের হামেত্তো আলী, ঝাঁপা গ্রামের শওকত আলী, মালঞ্চ বিবি, মমতাজ বেগম, শাহারিয়ার, চন্ডিপুর গ্রামের জিসান হোসেন, মল্লিকপুর গ্রামের ডলি খাতুন, খালিয়া দক্ষিণপাড়ার ইকবাল হোসেন এবং কোমলপুর গ্রামের শামসুরনাহার। বক্তারা বলেন, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে দাঁড়ানো সকলের নৈতিক দায়িত্ব। “আশার চাকা”র এ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এবং মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। উপকারভোগীরা এমন সহায়তা পেয়ে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
Popular Post
মণিরামপুরে “আশার চাকা”র উদ্যোগে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ আবু জাহেদ ইমন মনিরামপুর (যশোর) থেকে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার জোঁকা কমলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে “আশার চাকা” সংস্থার উদ্যোগে অসহায় ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে বিনামূল্যে হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়েছে। ১১ এপ্রিল সকাল ১০টায় এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মনিরামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝাঁপা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আমিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান সমন্বয়ক সোহেল হোসেন। সহকারী সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মেহেদী হাসান। অর্থ ও হিসাব দায়িত্বে ছিলেন রাকিবুল হাসান শিমুল এবং ভেন্যু ও লজিস্টিকস দায়িত্বে ছিলেন জুবায়ের আহমেদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন হুইলচেয়ার বিতরণ সমন্বয়ক সাব্বির আহমেদ রিয়াদ। এছাড়া সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাসুদ রানা ও মহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে “আশার চাকা” সংস্থার পক্ষ থেকে ১১ জন অসহায় প্রতিবন্ধীর মাঝে বিনামূল্যে হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়। উপকারভোগীদের মধ্যে ছিলেন ষোলখাদা গ্রামের দাসপাড়ার স্মৃতি দাশ ও অসিম দাশ, হানুয়ার গ্রামের হামেত্তো আলী, ঝাঁপা গ্রামের শওকত আলী, মালঞ্চ বিবি, মমতাজ বেগম, শাহারিয়ার, চন্ডিপুর গ্রামের জিসান হোসেন, মল্লিকপুর গ্রামের ডলি খাতুন, খালিয়া দক্ষিণপাড়ার ইকবাল হোসেন এবং কোমলপুর গ্রামের শামসুরনাহার। বক্তারা বলেন, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে দাঁড়ানো সকলের নৈতিক দায়িত্ব। “আশার চাকা”র এ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এবং মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। উপকারভোগীরা এমন সহায়তা পেয়ে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
Last Update
মণিরামপুরে “আশার চাকা”র উদ্যোগে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ আবু জাহেদ ইমন মনিরামপুর (যশোর) থেকে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার জোঁকা কমলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে “আশার চাকা” সংস্থার উদ্যোগে অসহায় ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে বিনামূল্যে হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়েছে। ১১ এপ্রিল সকাল ১০টায় এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মনিরামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝাঁপা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আমিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান সমন্বয়ক সোহেল হোসেন। সহকারী সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মেহেদী হাসান। অর্থ ও হিসাব দায়িত্বে ছিলেন রাকিবুল হাসান শিমুল এবং ভেন্যু ও লজিস্টিকস দায়িত্বে ছিলেন জুবায়ের আহমেদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন হুইলচেয়ার বিতরণ সমন্বয়ক সাব্বির আহমেদ রিয়াদ। এছাড়া সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাসুদ রানা ও মহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে “আশার চাকা” সংস্থার পক্ষ থেকে ১১ জন অসহায় প্রতিবন্ধীর মাঝে বিনামূল্যে হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়। উপকারভোগীদের মধ্যে ছিলেন ষোলখাদা গ্রামের দাসপাড়ার স্মৃতি দাশ ও অসিম দাশ, হানুয়ার গ্রামের হামেত্তো আলী, ঝাঁপা গ্রামের শওকত আলী, মালঞ্চ বিবি, মমতাজ বেগম, শাহারিয়ার, চন্ডিপুর গ্রামের জিসান হোসেন, মল্লিকপুর গ্রামের ডলি খাতুন, খালিয়া দক্ষিণপাড়ার ইকবাল হোসেন এবং কোমলপুর গ্রামের শামসুরনাহার। বক্তারা বলেন, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে দাঁড়ানো সকলের নৈতিক দায়িত্ব। “আশার চাকা”র এ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এবং মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। উপকারভোগীরা এমন সহায়তা পেয়ে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পুরাতন খবর

MonTueWedThuFriSatSun
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031
       
  12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930   
       
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     
    123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728   
       
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031